রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

অভিভাবকহীন মহেশখালী, ভোগান্তিতে সেবা গ্রহিতারা 

মহেশখালী উপজেলা মানচিত্র, ফাইল ছবি

শাহাব উদ্দীন সিকদার, মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ড না থাকায় এক ধরনের অভিভাবক শুন্য হয়ে পড়েছে। সেই সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন জনসাধারণ।

মহেশখালীতে চলমান রয়েছে সরকারের মেগা প্রকল্প মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর সহ কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ,এল এন জি টার্মিনাল, ফুয়েল রিফাইনারি, এছাড়া সরকারী তত্য মতে রেল লাইন প্রকল্প সহ প্রায় ৩৬টির অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মহেশখালী উপজেলায় ১ পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের রয়েছে। মহেশখালীতে প্রায় ৫ লক্ষ লক্ষাধিক মানুষের বসতি রয়েছে তবে এত জনবহুল ও জনগুরুত্বপূর্ণ এই মহেশখালীতে বর্তমানে নেই কোনো ইউএনও ও এসিল্যান্ড। ফলে ব্যাহত হচ্ছে সরকারি সেবা সমুহ সেজন্য দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের।

ভুমি অফিসের সহকারী কর্মচারী জসিম উদ্দীনের তথ্য মতে চলতি মাসের ৪ নভেম্বর বদলি হয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম। তার বদলির পর থেকেই জনবল সংকটে থাকা মহেশখালী ভূমি অফিসের নিয়মিত সেবা বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে বেড়েছে জন দুর্ভোগ এমনই অভিযোগ সেবাপ্রার্থীদের।

অপরদিকে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইয়াসিন মাঠ প্রশাসনের উপর মিড ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের একটি প্রোগ্রামে ২১ নভেম্বর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। ১৪ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত পত্র সূত্রে জানা গেছে, ভারতে অনুষ্ঠিত ওই প্রোগ্রাম ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

এদিকে ইউএনও ও এসিল্যান্ড দুটি পদে কেউ না থাকায় সরকারি সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষরা জানান, মহেশখালীতে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চালু থাকায় ভূমি অফিসে সেবা গ্রহীতা মানুষের চাপ বেড়েছে। কিন্তু ইউএনও এবং এসিল্যান্ড পদ দুটি খুবই জন গুরুত্বপূর্ণ তাি তাদের অনুপস্থিতিতে ইউএনও অফিস সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কাজও ব্যাহত হচ্ছে।

অপরদিকে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেপি দেওয়ানকে। তিনি ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের দুরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই অধিক দুরত্ব পাড়ি দিয়ে চকরিয়ার ইউএনও কর্তৃক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহেশখালীর দায়িত্ব পালন করা দুরূহ ব্যাপার। তাই সেবা গ্রহিতারা কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মহেশখালীতে অতিরিক্ত দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা দেয়ার অনুরোধ জানান।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION